আমাদের সম্পর্কে
১০k+
উপকৃত পরিবার
মানবতার কল্যাণে নিবেদিত একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান
আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট একটি অলাভজনক ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণ, শিক্ষার প্রসার এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মহান ব্রত নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
আমাদের লক্ষ্য হলো এমন একটি সমাজ গড়ে তোলা যেখানে প্রতিটি মানুষ তার মৌলিক অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকতে পারে। আপনাদের যাকাত, সাদাকাহ ও অনুদানের সঠিক ও স্বচ্ছ ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা দেশব্যাপী বিভিন্ন প্রজেক্ট পরিচালনা করছি।
-
১০০% স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ।
-
সরাসরি মাঠ পর্যায়ে অসহায় মানুষদের কাছে পৌঁছানো।
-
সম্পূর্ণ ইসলামী শরীয়াহ ভিত্তিক কার্যক্রম পরিচালনা।
আমাদের লক্ষ্য (Mission)
সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণ, শিক্ষার প্রসার এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে একটি আত্মনির্ভরশীল সমাজ গঠন করা।
-
সমাজ থেকে দারিদ্র্য দূরীকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
-
সর্বস্তরে শিক্ষার প্রসার এবং সচেতনতা বৃদ্ধি।
-
অসহায় ও দুস্থ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
-
একটি আত্মনির্ভরশীল ও দক্ষ মানবসম্পদ গঠন করা।
আমাদের উদ্দেশ্য (Vision)
এমন একটি কল্যাণকর সমাজ প্রতিষ্ঠা করা যেখানে প্রতিটি মানুষ তার মৌলিক অধিকার নিয়ে সম্মানের সাথে বেঁচে থাকতে পারে।
-
এমন একটি কল্যাণকর সমাজ প্রতিষ্ঠা করা যেখানে বৈষম্য থাকবে না।
-
প্রতিটি মানুষ তার মৌলিক অধিকার নিয়ে সম্মানের সাথে বেঁচে থাকতে পারে।
-
নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন একটি আদর্শ সমাজ গঠন।
আমাদের কার্যনির্বাহী পরিষদ
সততা, স্বচ্ছতা ও দক্ষতার সাথে আস-সুন্নাহ ট্রাস্টের কার্যক্রম পরিচালনায় আমাদের নিবেদিত প্রাণ টিম।
ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (১৯৫৮–২০১৬) ছিলেন বাংলাদেশের ঝিনাইদহের এক ক্ষণজন্মা ও অগ্রগামী ইসলামী স্কলার, অধ্যাপক এবং সমাজসংস্কারক। খোন্দকার আনোয়ারুজ্জামান (রহ.)-এর এই সুযোগ্য সন্তান ঝিনাইদহ ও ঢাকায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীর পর সৌদি আরবের রিয়াদের ইমাম মুহাম্মদ বিন সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্কলারশিপসহ বিএ, এমএ এবং ১৯৯৮ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে যোগ দেন এবং একজন দূরদর্শী অধ্যাপক হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন। সঠিক ধর্মীয় শিক্ষার প্রসার ও মানবতার সেবায় তিনি ১৯৯৮ সালে 'আল-ফারূক একাডেমি' এবং ২০১১ সালে 'আস-সুন্নাহ ট্রাস্ট' প্রতিষ্ঠা করেন, যা আজ অবধি এতিমদের লালন-পালন, দুস্থ নারীদের স্বাবলম্বীকরণ এবং নানাবিধ সমাজকল্যাণমূলক কাজ পরিচালনা করে আসছে। ২০১৬ সালের ১১ মে মাত্র ৫৮ বছর বয়সে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় এই মহান মনীষী ইন্তেকাল করলেও, তাঁর রচিত মূল্যবান গ্রন্থসমূহ এবং এই ট্রাস্টের বহুমুখী সেবামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে তাঁর গৌরবময় সৃষ্টিশীল কর্ম ও আদর্শ চিরভাস্বর হয়ে আছে।
আস-সুন্নাহ ট্রাস্টের মূল লক্ষ্য হলো বিশুদ্ধ ইসলামী জ্ঞানের প্রসার এবং সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে একটি সহমর্মিতাপূর্ণ সমাজ গঠন করা। ২০১১ সালে প্রখ্যাত ইসলামী স্কলার ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ.) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত এই অলাভজনক ও শিক্ষামূলক সংস্থাটি মহানবী (সা.)-এর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শিক্ষা, নৈতিকতা, ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পরিবেশ সংরক্ষণে কাজ করে যাচ্ছে। ট্রাস্টের মূল কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে সঠিক দ্বীনি দাওয়াত পৌঁছানো, মাদ্রাসা ও স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠা, শিক্ষক প্রশিক্ষণ, মেধা বৃত্তি প্রদান, এবং কর্মসংস্থান, চিকিৎসা ও আইনি সহায়তার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও এতিম-বিধবাদের পুনর্বাসন করা। সুন্নাহর সঠিক অনুসরণে এই মহৎ দ্বীনি ও মানবিক মিশনকে এগিয়ে নিতে এবং সমাজের সামগ্রিক কল্যাণে আমাদের যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী ঐক্যবদ্ধভাবে অংশগ্রহণের উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।